হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী :
রামুর কাউয়ারখোপ ইউনিয়নে গৃহবধু হত্যার অপরাধে ঘাতক স্বামীসহ দু’জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে জেলায় ও দায়রা জজ মীর শফিকুল আলম এ রায় ঘোষনা করেন।
২০১০ সালের ২৩ জুন স্বামীর ঘরে খুন হয় সিরাজুল হকের মেয়ে রোজিনা আক্তার (২২)। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী মৃত নুর আহম্মদের ছেলে শাহ আলম (২৫) ও হত্যার সাথে জড়িত থাকা অপর ব্যক্তি আলী আহম্মদের ছেলে জসিম উদ্দিন (৩৫) কে এই সাজা দেয়া হয়।
আদালতের রায় ও রামু থানায় দায়ের করা হত্যা মামলার বর্ণনা অনুযায়ী, শাহ আলমের সাথে নিহত রোজিনা আক্তারের বিয়ের পর থেকে স্বামী ও শাশুর বাড়ির লোকজন নানা রকমে মারধর ও অত্যাচার করত।সর্বশেষ ২০১০ সালের ২৩ জুন রোজিনাকে পিটিয়ে হত্যা করে তাঁর স্বামী শাহ আলম, স্বামীর বোনের জামাই জসিম উদ্দিন, স্বামীর বোন খালেদা বেগম ও শাশুড়ি সফুরা খাতুন। হত্যার পর তারা নিহতের লাশ ওড়না পেঁচিয়ে ঘরের চালায় টাঙ্গিয়ে দেয়।
আর এ ঘটনায় পরদিনই নিহত রোজিনার বাবা সিরাজুল হক রামু থানায় এ চারজনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করে।
এ মামলায় সফুরা খাতুন ও খালেদা বেগম জামিন পেলেও শাহ আলম ও জসিম উদ্দিনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেওয়া হয়। জরিমানা করা হয় ২০ হাজার টাকা। অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।






