খালেদ শহীদ/সোয়েব সাঈদ:
রামুতে ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, আমরা মানুষকে স্বপ্ন দেখাতে চাই। সন্তানের কাছে যদি একটি স্বপ্ন না থাকে, সেই সন্তান জীবনে এগিয়ে যেতে পারে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিকে ‘দিন বদলের বাংলাদেশ’ ও ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ নামে দু’টো স্বপ্ন দেখিয়েছেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন হচ্ছে। শেখ হাসিনা’র স্বপ্ন ‘দিন বদল’-‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে দ্রুত এগিয়ে চলছে। রোববার (১ জানুয়ারি) রাত ১১ টায় রামু মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন, সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ।
‘মুক্তিযুদ্ধের বিজয় বীর বাঙালির হাজার বছরের পরাধীনতার প্রতিশোধ’ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার তৃতীয় দিনের স্মৃতিচারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন, ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম।
রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ সভায় শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন, কক্সবাজার-৩ আসনের সাংসদ রামু মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা উদযাপন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, বাংলাদেশ তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাধনা দাশ গুপ্তা, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মো. ইউনুচ বাঙ্গালী, সদস্য অ্যাডভোকেট সুলতানুল আলম প্রমুখ।
প্রধান অতিথি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রিয় কমিটির প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেন, ঘুমন্ত জাতিকে জাগ্রত করেছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। হাজার বছর ধরে বাঙ্গালি জাতি স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করেছেন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। সেই জন্যে বঙ্গবন্ধু হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বঙ্গবন্ধু রাজনীতি করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশকে দু’তিন বছরের মধ্যে সংগঠিত করে করেছিলেন। বাংলাদেশ যখন বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে অর্থনৈতিক অগ্রগতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই বঙ্গবন্ধুকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়।
বিজয় মেলা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম-মহাসচিব তপন মল্লিক ও সাদ্দাম হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত স্মৃতিচারণ সভায় বক্তৃতা করেন, গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ নজুরল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছা সেবকলীগ সভাপতি কায়সার উল হক জুয়েল, জেলা তাঁতী লীগের সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী, রামু উপজেলা কৃষক লীগ আহ্বয়ক মো. সালাহ উদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ মোহাম্মদ আবদুস শুক্কুর, রামু উপজেলা তাঁতী লীগের সভাপতি নুরুল আলম জিকু, জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আনছারুল আলম, স্বেচ্ছা সেবকলীগ নেতা আজিজুল হক আজিজ, ছাত্রলীগ নেতা শাহজাহান সিরাজ প্রমুখ।
বিজয় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি জাফর আলম চৌধুরী, মহিলা সম্পাদক মুুসরাত জাহান মুন্নী, রামু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম, কক্সবাজার জেলা পরিষদ সদস্য শামশুল আলম, নুরুল হক, রামু উপজেলা স্বেচ্ছা সেবকলীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট মোজাফ্ফর আহমদ হেলালী, রামু উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক নীতিশ বড়ুয়া প্রমুখ।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ শেষে বিজয় মঞ্চে রাতব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে কবিতা আবৃত্তি করেন, তপসে বড়ুয়া, অতন্দ্রিলা বড়ুয়া, রজত বড়ুয়া রিকু, পরীক্ষিৎ বড়ুয়া টুটুন, কাজী আশরাফ।
জয়শ্রী বড়ুয়া’র পরিচালানায় দলীয় ও একক নৃত্যানুষ্ঠান। একক সংগীতানুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন, প্রয়াস বড়ুয়া স্বচ্ছ, মেহজাবিন জোবাইয়াত ঈশিকা, মোহাম্মদ শাহেদ, অদিতি বড়ুয়া মুমু, প্রিয়া দত্ত, প্রবীর বড়ুয়া। দলীয় সংগীতানুষ্ঠানে অংশ নেয়, কক্সবাজারের উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, রামুর কোমলমতি শিশু নিকেতন, নব সৃজনী খেলাঘর আসর। সবশেষে অনুষ্ঠিত হয়, রামুর ব্র্যাক দূর্জয় নাট্য সংগঠনের নাটক ‘বাল্য বিবাহ’।






