খালেদ শহীদ:
বর্তমান সরকার কৃষি ব্যবস্থাপনা সহ কৃষকদের উন্নয়নে কাজ করছে। সুদূর পরিকল্পনা নিয়ে দেশের খাদ্য উন্নয়নে কাজ করছে কৃষি বিভাগ। কৃষি জমির যথাযত ব্যবহারের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। সঠিক পদ্ধতি গ্রহণ করে, চাষাবাদ করলে কম সময়েও উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। এর জন্য প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। পানির সঠিক ব্যবহার করে, পদ্ধতি জেনে কৃষি কাজ করলে ফসলের উৎপাদন বাড়ে। আজ মঙ্গলবার (৭ মার্চ) সকাল ১০টায় রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের খন্দকারপাড়া এলাকায় অনুষ্ঠিত কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় রামু উপজেলা কৃষি অফিসার আবু মাসুদ সিদ্দিকী এ কথা বলেন।
খামার পর্যায়ে উন্নত পানি ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তির মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প’র আওতায় অনুষ্ঠিত পানি ব্যবস্থাপনা কৃষক মাঠ স্কুলের মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কক্সবাজার উপ-পরিচালকের কার্যালয়ের কৃষি প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, রামু প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি খালেদ শহীদ। রামু ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের খন্দকার পাড়া কৃষক মাঠ স্কুলের সভাপতি সুলতান আহমদের সভাপতিত্বে মাঠ দিবস অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত করেন, কৃষক মোহাম্মদ ইউসুফ নবী।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পানি কম ব্যবহার করে, খাদ্যের উৎপাদন বাড়াতে হবে। উৎপাদন খরচ কিভাবে কম হয়, এর পদ্ধতি জানতে হবে। পদ্ধতিগত ত্রুটির কারণে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জলবায়ু’র পরিবর্তনের ফলে পানির স্তর নীচে নেমে যাচ্ছে। জমির যথেচ্ছার ব্যবহারের কারণে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। ধান উৎপাদন বাড়াতে যেটুকু পানির দরকার আমরা সেটুকু পানিই ব্যবহার করি। বোরো আবাদ কমিয়ে আউশ চাষাবাদ করলে পানির অপচয় রোধের পাশাপশি কৃষকরা লাভবান হবে।
উপ-সহকারি কৃষি অফিসার ছোটন কান্তি দে’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কৃষি মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ নেয়া কৃষকদের মধ্যে বক্তৃতা করেন, কৃষক ফরিদুল আলম, আইয়ুব আলী বাদল, এহছানুল কবির ও ইয়াসমিন আকতার। অনুষ্ঠানে ১৫ জন পুরুষ ও ১০ জন নারী কৃষককে প্রশিক্ষণ সনদ সহ সম্মানী ভাতা প্রদান করা হয়। গত ১২ সপ্তাহ রামু উপজেলা কৃষি বিভাগের ব্যবস্থাপনায় খন্দকার পাড়া কৃষক মাঠ স্কুলের প্রশিক্ষণ নেয়া সদস্যদের এ সনদ ও ভাতা দেয়া হয়।







