আমাদের রামু প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের রামুতে বন্যা পরিস্থিতির এখনো উন্নতি হয়নি। উপজেলার বিভিন্ন কয়েক লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। চলমান বন্যায় ঘর বাড়িতে উঠেছে পানি, তলিয়ে গেছে কবলিত এলাকার মসজিদ মাদ্রাসা, মন্দির গির্জাসহ শিক্ষা প্রতিষ্টান, অসংখ্য পুকুর, চিড়িং ঘের, রাস্তাঘাট।
এদিকে বন্যা কবলিত এলাকার রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষ চলাচল করছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন, প্লাবিত হওয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনা, বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে অসংখ্য গ্রাম তলিয়ে যাওয়ায় মানুষের দূর্ভোগ চরম আকার ধারন করেছে।
শতাধিক গ্রামের কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে দুর্ভোগে পড়েছে। উপজেলার বিভিন্নস্থানে অসংখ্যা শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্লাবিত হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।
ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিচ্ছিন্নভাবে ত্রাণ বিতরণ করা হলেও তাতে সংকট কাটছেনা। বন্যাকবলিত এলাকায় অনেক মানুষের কাছে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছেনি।
ইতিমধ্যে উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গ্রামে গ্রামে ত্রাণ পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
বুধবার গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, ঈদগড়, রশিদ নগর, খুনিয়া পালং ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বন্যার পানি কমলেও ফতেখাঁরকুল, কাউয়ারখোপ, জোয়ারিয়ানালা, রাজারকুল, চাকমারকুল ও দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা বন্যার পানি ডুবে রয়েছে।
রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাজাহান আলি জানিয়েছেন, এখনো বন্যার পরিস্থিতি উন্নতি হয়নি। রামুর সবকয়েকটি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। প্রশাসন বন্যা কবলিত মানুষের পাশে রয়েছেন। বানভাসী মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হচ্ছে।
রামু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম জানান, ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ২য় বারের এই ভয়াবহ বন্যায় রামুতে প্রায় লক্ষাধিক লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে রয়েছেন। তিনি পানি বন্দী মানুষদের মাঝে চাউল, শুকনো খাবার বিতরণ অব্যাহত রাখা হয়েছে।









