২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, মঙ্গলবার
আমাদের রামু
  •  
  • কক্সবাজার জেলা
    • কক্সবাজার সদর
    • উখিয়া
    • কুতুবদিয়া
    • চকরিয়া
    • টেকনাফ
    • পেকুয়া
    • মহেশখালী
  • পার্বত্য চট্রগ্রাম
    • বান্দরবান
    • রাঙ্গামাটি
    • খাগড়াছড়ি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
    • রাজশাহী
    • সিলেট
  • মতামত
    • সম্পাদকীয়
    • গোলটেবিল বৈঠক
    • ধর্মকথা
    • সাক্ষাৎকার
    • তারুণ্যের লেখালেখি
    • ছড়া ও কবিতা
    • কলাম
    • সাধারণের কথা
    • অনলাইন ভোট
  • বিশেষ প্রতিবেদন
    • কীর্তিমান
    • প্রতিভা
    • ঐতিহ্য
    • অবহেলিত
    • পুরাকীর্তি ও প্রত্নতত্ত্ব
    • শেখড়ের সন্ধান
    • প্রতিষ্ঠান
  • রাজনীতি
    • আওয়ামীলীগ
    • বিএনপি
    • জাতীয়পার্টি
    • রাজনৈতিক দল সমূহ
    • ছাত্র রাজনীতি
  • নির্বাচন
    • স্থানীয় সরকার
    • সংসদ
    • ইসি
  • শিল্প-সাহিত্য
    • কবিতা
    • গল্প
    • উপন্যাস
    • আর্ট
    • চিঠি
    • ছড়া
    • প্রবন্ধ/নিবন্ধ
    • সংবাদ
  • বিবিধ
    • প্রধান খবর
    • রামু প্রতিদিন
    • পর্যটন
      • বৌদ্ধ ‍বিহার
      • স্থাপনা
      • প্রাকৃতিক
    • চাকরির খবর
    • শিল্প-সাহিত্য
    • সংস্কৃতি
    • বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি
    • উন্নয়ন
    • সাংস্কৃতিক
    • মানচিত্রে রামু
    • শিক্ষাঙ্গন
    • শিক্ষা
    • রামু তথ্য বাতায়ন
    • সমস্যা ও সম্ভাবনা
    • আমাদের রামু পরিবার
    • অপরাধ
    • আইন-আদালত
    • মন্ত্রী কথন
    • স্বাস্থ্য
ফলাফল নেই
সকল ফলাফল দেখুন
  •  
  • কক্সবাজার জেলা
    • কক্সবাজার সদর
    • উখিয়া
    • কুতুবদিয়া
    • চকরিয়া
    • টেকনাফ
    • পেকুয়া
    • মহেশখালী
  • পার্বত্য চট্রগ্রাম
    • বান্দরবান
    • রাঙ্গামাটি
    • খাগড়াছড়ি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
    • রাজশাহী
    • সিলেট
  • মতামত
    • সম্পাদকীয়
    • গোলটেবিল বৈঠক
    • ধর্মকথা
    • সাক্ষাৎকার
    • তারুণ্যের লেখালেখি
    • ছড়া ও কবিতা
    • কলাম
    • সাধারণের কথা
    • অনলাইন ভোট
  • বিশেষ প্রতিবেদন
    • কীর্তিমান
    • প্রতিভা
    • ঐতিহ্য
    • অবহেলিত
    • পুরাকীর্তি ও প্রত্নতত্ত্ব
    • শেখড়ের সন্ধান
    • প্রতিষ্ঠান
  • রাজনীতি
    • আওয়ামীলীগ
    • বিএনপি
    • জাতীয়পার্টি
    • রাজনৈতিক দল সমূহ
    • ছাত্র রাজনীতি
  • নির্বাচন
    • স্থানীয় সরকার
    • সংসদ
    • ইসি
  • শিল্প-সাহিত্য
    • কবিতা
    • গল্প
    • উপন্যাস
    • আর্ট
    • চিঠি
    • ছড়া
    • প্রবন্ধ/নিবন্ধ
    • সংবাদ
  • বিবিধ
    • প্রধান খবর
    • রামু প্রতিদিন
    • পর্যটন
      • বৌদ্ধ ‍বিহার
      • স্থাপনা
      • প্রাকৃতিক
    • চাকরির খবর
    • শিল্প-সাহিত্য
    • সংস্কৃতি
    • বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি
    • উন্নয়ন
    • সাংস্কৃতিক
    • মানচিত্রে রামু
    • শিক্ষাঙ্গন
    • শিক্ষা
    • রামু তথ্য বাতায়ন
    • সমস্যা ও সম্ভাবনা
    • আমাদের রামু পরিবার
    • অপরাধ
    • আইন-আদালত
    • মন্ত্রী কথন
    • স্বাস্থ্য
ফলাফল নেই
সকল ফলাফল দেখুন
আমাদের রামু
ফলাফল নেই
সকল ফলাফল দেখুন

বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদন্ড, তারেকসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
অক্টোবর ১০, ২০১৮
বিভাগ প্রধান খবর
0
বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদন্ড, তারেকসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন
Share on FacebookShare on Twitter

নিউজ ডেস্কঃ
ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ১৪ বছর আগে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীবিরোধী সমাবেশে নৃশংস গ্রেনেড হামলার ঘটনায় বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় এসেছে আদালতে।

খালেদা জিয়ার বড় ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান,খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীসহ ১৯ জনকে দেওয়া হয়েছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

এছাড়া এ মামলার আসামি ১১ সরকারি কর্মকর্তাকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন বুধবার সকালে আলোচিত ওই ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনের দুই মামলায় এই রায় ঘোষণা করেন।

২০০৪ সালের ২১ অগাস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী শোভাযাত্রায় গ্রেনেড হামলায় আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন; আহত হন কয়েকশ নেতাকর্মী।

সেদিন অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান আজকের প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু গ্রেনেডের প্রচণ্ড শব্দে তার শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়।

খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ মোট ৪৯ জন এ মামলার আসামি।

শেখ হাসিনাকে হত্যা করে দলকে নেতৃত্বশূন্য করতেই এই হামলা হয়েছিল এবং তাতে তৎকালীন ক্ষমতাসীন বিএনপি-জামায়াত জোটের শীর্ষ নেতাদের প্রত্যক্ষ মদদ ছিল বলে এ মামলার তদন্তে উঠে আসে।

যার যেমন সাজা

১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড

# এই আসামিদের দণ্ডবিধি ৩০২, ১২০ খ, ৩৪ ধারায় হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

# দণ্ডবিধি ৩০৭ ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে গুরুতর জখম করার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

# বিস্ফোরক আইনের ৩ ও ৬ ধারায় হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

# বিস্ফোরক আইনের ৪ ও ৬ ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে গুরুতর জখম করার দায়ে ২০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

***সব মিলিয়ে এই ১৯ আসামির ক্ষেত্রে কেবল মৃত্যুদণ্ডের শাস্তিই কার্যকর হবে। মৃত্যু পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তাদের দণ্ড কার্যকর করতে বলা হয়েছে রায়ে।

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর

সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু

হানিফ এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. হানিফ

এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক আবদুর রহিম

এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী

পিন্টুর ভাই হরকাতুল জিহাদ নেতা মাওলানা তাজউদ্দিন

আব্দুল মালেক ওরফে গোলাম মোহাম্মাদ

শেখ আব্দুস সালাম

কাশ্মিরী নাগরিক আব্দুল মাজেদ ভাট

মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ

মুফতি হান্নানের ভাই মুহিবুল্লাহ মফিজুর রহমান ওরফে অভি

মাওলানা আবু সাইদ ওরফে ডাক্তার জাফর

আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলুবুল

মো. জাহাঙ্গীর আলম

হাফেজ মাওলানা আবু তাহের

হোসাইন আহমেদ তামিম

মাইনুদ্দিন শেখ ওরফে আবু জান্দাল

মো. রফিকুল ইসলাম সবুজ

মো. উজ্জ্বল ওরফে রতন

১৯ জনের যাবজ্জীবন

# দণ্ডবিধি ৩০২, ১২০ খ, ৩৪ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে

# দণ্ডবিধি ৩০৭, ১২০ খ, ৩৪ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জনিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

# বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩ ও ৬ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

# বিস্ফোরক আইনের ৪ ও ৬ ধারায় ২০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

*** সব সাজা একযোগে কার্যকর হবে বলে এই ১৯ আসামির ক্ষেত্রে কেবল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কার্যকর হবে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান

খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী

বিএনপির সাবেক এমপি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ

বিএনপির সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার আরিফুল ইসলাম আরিফ

হরকাতুল জিহাদ নেতা আব্দুল হান্নান ওরফে সাব্বির

হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া

মাওলানা আব্দুর রউফ ওরফে পীর সাহেব

মো. খলিল

মুফতি শফিকুর রহমান

মুফতি আব্দুল হাই

বাবু ওরফে রাতুল বাবু

শাহাদত উল্যাহ ওরফে জুয়েল

আরিফ হাসান সুমন

মহিবুল মুত্তাকিন ওরফে মুত্তাকিন

আনিসুল মুরছালিন ওরফে মুরছালিন

জাহাঙ্গীর আলম বদর

মো. ইকবাল

আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার

লিটন ওরফে মাওলানা লিটন

১১ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

চার জনের ৩ বছরের জেল

সাবেক আইজিপি খোদা বক্স চৌধুরী, মামলার প্রথম দিকের তদন্ত কর্মকর্তা বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, সিআইডির সিনিয়র এএসপি মুন্সি আতিকুর রহমান ও এএসপি আব্দুর রশীদ।

[দণ্ডবিধির দুটি ধারায় এই চারজনের ৩ বছর ও ২ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দুই সাজা একযোগে কার্যকর হবে বলে তাদের ক্ষেত্রে সব মিলিয়ে তিন বছরের সাজা প্রযোজ্য হবে।]

পাঁচ জনের ২ বছরের কারাদণ্ড

সাবেক আইজিপি মো. আশরাফুল হুদা ও আইজিপি শহিদুল হক, খালেদা জিয়ার ভাগ্নে লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাইফুল ইসলাম ডিউক, ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক এটিএম আমিন আহমদ ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) সাইফুল ইসলাম জোয়ারদার।

[দণ্ডবিধির দুটি ধারায় তাদের দুই বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দুই সাজা একযোগে কার্যকর হবে বলে তাদের ক্ষেত্রে সব মিলিয়ে দুই বছরের সাজা প্রযোজ্য হবে।]

দুই জনের ২ বছরের কারাদণ্ড

পুলিশের সাবেক উপ কমিশনার (পূর্ব) মো. ওবায়দুর রহমান এবং উপ কমিশনার (দক্ষিণ) খান সাইদ হাসান।

[দণ্ডবিধির তিনটি ধারায় তাদের দুই বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সব সাজা একযোগে কার্যকর হবে বলে তাদের ক্ষেত্রে সব মিলিয়ে দুই বছরের সাজা প্রযোজ্য হবে।]

*** কারাদণ্ডের আসামিদের হাজতবাসকালীন সময় সাজা থেকে বাদ যাবে। ৩০ দিনের মধ্যে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।

সেদিন যা ঘটেছিল

২০০৪ সালের ২১ অগাস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সন্ত্রাসবিরোধী শোভাযাত্রা হওয়ার কথা ছিল। বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের মাঝখানে একটি ট্রাক এনে তৈরি করা হয়েছিল মঞ্চ।

শোভাযাত্রার আগে সেই মঞ্চে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিচ্ছিলেন তখনকার বিরোধী দলীয় নেতা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। বক্তৃতা শেষ করে তিনি ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলার সময় ঘটে পর পর দুটি বিস্ফোরণ।

এরপর সামান্য বিরতি দিয়ে একের পর এক গ্রেনেড বিস্ফোরণ শুরু হয়। তারই মধ্যে শোনা যায় গুলির আওয়াজ।

গ্রেনেড হামলায় রক্তাক্ত নেতা-কর্মীরা; এদের অনেকের জীবনে ফেরা হয়নি
ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকরা তখনও ভয়াবহতার মাত্রা বুঝে উঠতে পারেননি। বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে এগোতেই তারা দেখতে পান শত শত জুতো, স্যান্ডেল রাস্তায় ছড়ানো। তারই মধ্যে পড়ে রয়েছে মানুষের রক্তাক্ত নিথর দেহ; আহতদের আর্তনাদে ভয়াবহ এক পরিস্থিতি।

হামলায় আহতদের সাহায্য করতে আওয়ামী লীগের অন্য নেতাকর্মীরা যখন ছুটে গেলেন, তখন পুলিশ তাদের ওপর টিয়ার শেল ছোড়ে। পুলিশ সে সময় হামলার আলামত সংগ্রহ না করে তা নষ্ট করতে উদ্যোগী হয়েছিল বলেও পরে অভিযোগ ওঠে।

ওই হামলায় আওয়ামী লীগের তৎকালীন মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত এবং কয়েকশ জন আহত হন।

মঞ্চে উপস্থিত নেতাকর্মীরা বিস্ফোরণে মধ্যে মানববর্ম তৈরি করায় সেদিন অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু গ্রেনেডের প্রচণ্ড শব্দে তার শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়।

২১ অগাস্ট: জড়িতদের সর্বোচ্চ সাজার আশায় আহতরা

‘আইভী রহমানের চোখে সেই শূন্য দৃষ্টি আমি ভুলতে পারি না’

২১ অগাস্ট: যেভাবে সেদিন রক্ষা পান শেখ হাসিনা

সেদিনের হামলায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন ১৬ জন। আইভি রহমান ৫৮ ঘণ্টা মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে ২৪ অগাস্ট মারা যান। প্রায় দেড় বছর পর মৃত্যু হয় ঢাকার প্রথম নির্বাচিত মেয়র মোহাম্মদ হানিফের। পরে সব মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ২৪ জনে।

২১ অগাস্ট হামলায় নিহত অন্যরা হলেন শেখ হাসিনার দেহরক্ষী ল্যান্স করপোরাল (অব.) মাহবুবুর রহমান, হাসিনা মমতাজ, রিজিয়া বেগম, রফিকুল ইসলাম (আদা চাচা), রতন শিকদার, মোহাম্মদ হানিফ ওরফে মুক্তিযোদ্ধা হানিফ, মোশতাক আহমেদ, লিটন মুনশি, আবদুল কুদ্দুছ পাটোয়ারী, বিল্লাল হোসেন, আব্বাছ উদ্দিন শিকদার, আতিক সরকার, মামুন মৃধা, নাসিরউদ্দিন, আবুল কাসেম, আবুল কালাম আজাদ, আবদুর রহিম, আমিনুল ইসলাম, জাহেদ আলী, মোতালেব ও সুফিয়া বেগম। একজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

মামলা বৃত্তান্ত

হামলার পরদিন মতিঝিল থানার তৎকালীন এসআই শরীফ ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। থানা পুলিশ, ডিবির হাত ঘুরে সিআইডি এই মামলার তদন্তভার পায়।

ঘটনার চার বছর পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে ২০০৮ সালের ১১ জুন হত্যার অভিযোগ এবং বিস্ফোরক আইনে আলাদা দুটি অভিযোগপত্র দেন সিআইডির জ্যেষ্ঠ এএসপি ফজলুল কবির।

জঙ্গি দল হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশের নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানসহ ২২ জনকে সেখানে আসামি করা হয়। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে ২০০৮ সালের ২৯ অক্টোবর অভিযোগ গঠন করে তাদের বিচারও শুরু হয়।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটির অধিকতর তদন্তের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল তা মঞ্জুর করে।

সিআইডির বিশেষ সুপার আব্দুল কাহার আকন্দ অধিকতর তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ৩ জুলাই আসামির তালিকায় আরও ৩০ জনকে যোগ করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেন।

সেখানে খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানসহ চার দলীয় জোট সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী ও বিএনপি-জামায়াতের নেতাদের নাম আসে।

২০১২ সালের ১৮ মার্চ সম্পূরক অভিযোগপত্রের আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত। নতুন করে শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। রাষ্ট্রপক্ষের ৫১১ সাক্ষীর মধ্যে মোট ২২৫ জন এ মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দেন।

জামিনে ও কারাগারে থাকা ৩১ আসামির সবাই আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। তাদের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দেন ২০ জন।

রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিশেষ এজলাসে ১২০ কার্যদিবস যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে মামলা দুটি রায়ের পর্যায়ে আসে।

এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবদুল্লাহ আবু জানান, দণ্ডবিধি ও বিস্ফোরক আইনের দুই মামলার বিচার কাজ একই সঙ্গে চলে। সব মিলিয়ে মোট ১ হাজার ৪৫৪ কার্যদিবস আদালত বসেছে এ মামলা শোনার জন্য।

মামলার সাক্ষীদের মধ্যে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন ১৪ জন। আর আসামিদের মধ্যে ১৩ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

তদন্ত ভিন্ন খাতে, জজ মিয়া ‘নাটক’

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে এ মামলার তদন্ত ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল বলে অধিকতর তদন্তে উঠে আসে। জানা যায়, হামলার বিষয়ে নোয়াখালীর জজ মিয়ার ‘স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি’ দেওয়ার বিষয়টি ছিল নাটক।

আওয়ামী লীগ নেতারা বলে আসছেন, বিএনপি-জামায়াত জোট হামলার পর থেকেই তদন্ত বাধাগ্রস্ত করতে কাজ শুরু করে। এমনকি শুরুতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে করা মামলাও পুলিশ নেয়নি। বরং হামলার অনেক আলামত সে সময় নষ্ট করে ফেলা হয়।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের নেতারা সে সময় ওই হামলার জন্য আওয়ামী লীগকেই দায়ী করেন। প্রতিবেশী দেশের গোয়েন্দা সংস্থা ওই হামলায় জড়িত বলেও সে সময় প্রচার চালানো হয়।

হামলার পর বিচারপতি মো. জয়নুল আবেদীনকে চেয়ারম্যান করে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করেছিল চারদলীয় জোট সরকার। ৪০ দিনের মাথায় ওই কমিশনের দেওয়া ১৬২ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদেশি একটি গোয়েন্দা সংস্থা ওই হামলায় জড়িত।

পরের বছর নোয়াখালীর সেনবাগ থেকে জজ মিয়া নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার কাছ থেকে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আদায় করা হয়।

আদালতে সেই সাজানো জবানবন্দিতে জজ মিয়া বলেছিলেন, সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন, জয়, মোল্লা মাসুদের নির্দেশে তিনি পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে অন্যদের সঙ্গে ওই হামলায় অংশ নেন।

কিন্তু বিএনপির সেই সরকারের মেয়াদের শেষ দিকে ২০০৬ সালের অগাস্টে জজ মিয়ার মা জোবেদা খাতুন একটি পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, তার ছেলে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে সিআইডিই তাদের ভরণপোষণের টাকা দিয়ে আসছিল। জজ মিয়াকে রাজসাক্ষী হওয়ারও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

ঘটনার চার বছর পর তদন্তে হাত দিয়ে আবদুল কাহার আকন্দ এই হামলার পেছনের ঘটনা তুলে আনেন, দেন সম্পূরক অভিযোগপত্র। সেখানে বলা হয়, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার আমলে গ্রেনেড হামলার পুরো ঘটনাই ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল।

সিআইডির এই কর্মকর্তার তদন্তেই শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার এই মামলায় তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবর, হারিছ চৌধুরী, বিএনপি নেতা মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের সম্পৃক্ততা উঠে আসে।

এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ কৌঁসুলি মোশাররফ হোসেন কাজল যুক্তিতর্ক শুনানিতে বলেন, অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে এ মামলায় মূল রহস্য উদঘাটন হয়েছে। ঘটনার পরিকল্পনাকারীদেরও ওই অভিযোগপত্রে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

“দেশ তখন পরিচালিত হচ্ছিল হাওয়া ভবন থেকে। হাওয়া ভবনের নেতৃত্বে ছিলেন তারেক রহমান। তিনি যেভাবে চালাতেন, সেভাবে কাজ হত। তারেক রহমান পাওয়ারে থাকায় ওই কুটিল চক্র তার কাছে যায়। আর ওসব ব্যক্তির (জঙ্গি) সঙ্গে তারেক রহমানের সুসম্পর্ক থাকায় তারা সম্মিলিতভাবে ক্ষমতার থাকার উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রীয় সুবিধা দিয়ে ওই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে।”

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আসামিপক্ষ দুই মামলায় মোট পাঁচবার উচ্চ আদালতে যাওয়ায় এ বিচার মোট ২৯২ কার্যদিবস বিলম্বিত হয়েছে। তারা যুক্তিতর্ক উপস্থাপনেও কালক্ষেপণ করেছেন।

এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসামিপক্ষের অন্যতম আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমাদের কারণে মামলার বিচার বিলম্বিত হয়নি। রাষ্ট্রপক্ষ ২২৫ জনের সাক্ষ্য নিয়েছে, জেরা হয়েছে, এটা অবশ্যই সময় সাপেক্ষ। কোনো কিছু সংক্ষিপ্ত করার

শেয়ার করুন

  • Tweet
পূর্ববর্তী সংবাদ

আজ বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস

পরবর্তী সংবাদ

রামুতে গাঁজাসহ মহিলা পাচারকারী আটক

পরবর্তী সংবাদ
রামুতে গাঁজাসহ মহিলা পাচারকারী আটক

রামুতে গাঁজাসহ মহিলা পাচারকারী আটক

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ সংবাদ

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্রয় করবে সরকার

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্রয় করবে সরকার

মে ২৪, ২০২৬
এক মাসের মধ্যে রামিসার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে

এক মাসের মধ্যে রামিসার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে

মে ২৪, ২০২৬
থানচি রেমাক্রীতে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব,অর্ধশতাধিক আক্রান্ত

থানচি রেমাক্রীতে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব,অর্ধশতাধিক আক্রান্ত

মে ২৪, ২০২৬
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঈদের ছুটি শনিবার থেকেই শুরু

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঈদের ছুটি শনিবার থেকেই শুরু

মে ২৩, ২০২৬
রামিসার বাসায় প্রধানমন্ত্রী

রামিসার বাসায় প্রধানমন্ত্রী

মে ২২, ২০২৬

জনপ্রিয় সংবাদ

কোনো সংবাদ পাওয়া যায়নি

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

Loading...
«মে ২০২৬»
রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২
৩৪৫৬৭৮৯
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
« এপ্রিলজুন »

© ২০২২ আমাদের রামু ডট কম কতৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

[email protected]

আমরা রাষ্ট্র তথা এলাকার উন্নয়ন, সমস্যা এবং সম্ভাবনার কথা তুলে ধরি। আমরা কেউ কারো প্রতিপক্ষ নই কিন্তু বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে আমরা আপসহীন থাকার চেষ্ঠা করি। আমরা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি যে, সংবাদপত্র রাষ্ট্রের অপর তিন স্তম্ভ- সংসদ, প্রশাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগের পর চতুর্থ স্তম্ভ। একটি কার্যকর রাষ্ট্র গঠন ও পরিচালনায় দায়িত্বশীল সংবাদপত্রের গুরুত্ব অপরিসীম।
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • প্রাইভেসি পলিসি
  • ইউনিকোড কনর্ভারটার

প্রযুক্তি সহায়তায় ❤ ডেবস্ওয়্যার

ফলাফল নেই
সকল ফলাফল দেখুন
  •  
  • কক্সবাজার জেলা
    • কক্সবাজার সদর
    • উখিয়া
    • কুতুবদিয়া
    • চকরিয়া
    • টেকনাফ
    • পেকুয়া
    • মহেশখালী
  • পার্বত্য চট্রগ্রাম
    • বান্দরবান
    • রাঙ্গামাটি
    • খাগড়াছড়ি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
    • রাজশাহী
    • সিলেট
  • মতামত
    • সম্পাদকীয়
    • গোলটেবিল বৈঠক
    • ধর্মকথা
    • সাক্ষাৎকার
    • তারুণ্যের লেখালেখি
    • ছড়া ও কবিতা
    • কলাম
    • সাধারণের কথা
    • অনলাইন ভোট
  • বিশেষ প্রতিবেদন
    • কীর্তিমান
    • প্রতিভা
    • ঐতিহ্য
    • অবহেলিত
    • পুরাকীর্তি ও প্রত্নতত্ত্ব
    • শেখড়ের সন্ধান
    • প্রতিষ্ঠান
  • রাজনীতি
    • আওয়ামীলীগ
    • বিএনপি
    • জাতীয়পার্টি
    • রাজনৈতিক দল সমূহ
    • ছাত্র রাজনীতি
  • নির্বাচন
    • স্থানীয় সরকার
    • সংসদ
    • ইসি
  • শিল্প-সাহিত্য
    • কবিতা
    • গল্প
    • উপন্যাস
    • আর্ট
    • চিঠি
    • ছড়া
    • প্রবন্ধ/নিবন্ধ
    • সংবাদ
  • বিবিধ
    • প্রধান খবর
    • রামু প্রতিদিন
    • পর্যটন
      • বৌদ্ধ ‍বিহার
      • স্থাপনা
      • প্রাকৃতিক
    • চাকরির খবর
    • শিল্প-সাহিত্য
    • সংস্কৃতি
    • বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি
    • উন্নয়ন
    • সাংস্কৃতিক
    • মানচিত্রে রামু
    • শিক্ষাঙ্গন
    • শিক্ষা
    • রামু তথ্য বাতায়ন
    • সমস্যা ও সম্ভাবনা
    • আমাদের রামু পরিবার
    • অপরাধ
    • আইন-আদালত
    • মন্ত্রী কথন
    • স্বাস্থ্য

© 2026 JNews - Premium WordPress news & magazine theme by Jegtheme.