আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
পাকিস্তানে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে জোর দমনাভিযানে সরকার ১৮২ টি মাদ্রাসা বাজেয়াপ্ত করাসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত দলগুলোর ১শ’রও বেশি জনকে আটক করার কথা ঘোষণা করেছে।

কয়েকবছরের মধ্যে নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে এটিই পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। তাছাড়া, যেসব ইসলামিক জনকল্যাণ সংগঠন জঙ্গি তৎপরতার সম্মুখভাগে আছে বলে যুক্তরাষ্ট্র চিহ্নিত করেছে সেগুলোকেও টার্গেট করার প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তান।
কাশ্মীরের পুলওয়ামায় ১৪ ফেব্রুয়ারির জঙ্গি হামলায় অন্তত ৪০ ভারতীয় জওয়ান নিহত হওয়ার পর থেকে জঙ্গি গোষ্ঠী জৈশ-ই-মোহম্মদসহ ভারতে হামলা চালানো জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলোর চাপের মুখে আছে পাকিস্তান।
মাদ্রাসা বাজেয়াপ্ত করার ব্যাপারে পাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেছে, “প্রাদেশিক সরকারগুলো ১৮২টি মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা এবং প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ১২১ জনকে আটক করেছে।”
তবে এ সমস্ত পদক্ষেপ ভারতের ক্ষোভের মুখে নেওয়া হয়নি বরং দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার আওতায়ই নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
এর আগে পাকিস্তান সরকার জঙ্গি নেতা ও তাদের প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করেছে। মুম্বাই হামলার হোতা হাফিজ সইদের সংগঠন জামাত-উদ-দাওয়া ও শাখা সংগঠন ফালাহ-এ-ইনসানিয়াতের কিছু সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
তাছাড়া, মঙ্গলবার বেশ কিছু জইশ জঙ্গিকে গ্রেফতারও করেছে পাকিস্তান। যার মধ্যে মাসুদ আজহারের ভাই এবং ছেলেও রয়েছে।





