সঞ্চয়ী মনোভাব নিয়ে ফলজ চারা রোপন করলে ভবিষ্যতে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া যায় বলে মন্তব্য করেছেন রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য সবির কুমার চাকমা। তিনি বলেন, এ অঞ্চলের পাহাড় ও সমতল জায়গায় ফলজ গাছ রোপণের মাধ্যমে সবুজ বনায়ন করা গেলে নিজেরাও লাভবান হবেন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম দেশের সম্পদে পরিনত হবে।
২৬ জুন বরকল উপজেলায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মিশ্র ফল বাগান স্থাপন প্রকল্পের আওতায় উপকারভোগী কৃষক/কিষানীদের ‘ফল চাষের আধুনিক কলাকৌশলী’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও উপকরণ হিসেবে গাছের চারা বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ–পরিচালক রমনী কান্তি চাকমা, বরকল সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রভাত কুমার চাকমা, সুবলং ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ সভাপতি সুশান্ত ময় চাকমা।
প্রধান অতিথি আরো বলেন, দেশের বৃক্ষ সম্পদ ও পরিবেশের ভারসাম্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে গাছ লাগানো খুবই জরুরী। তাই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে একটি সামাজিক আন্দোলন হিসাবে গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, গাছের চারা অর্থনৈতিক উন্নয়ন উপকারভোগী পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মেটানো সম্ভব এবং এর সাথে সাথে নিজেদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গাছের তুলনা হয়না। তিনি সঠিক ভাবে নিজ নিজ বাগানে চারা লাগিয়ে পরিচর্যা করে নিজেদের সাবলম্বি হওয়ার আহবান জানান।
পরে বরকল উপজেলার গরীব বাগান চাষী ৯০ জন কৃষক/কিষানীদের হাতে ৩ হাজার ৬শত আম ও লিচুর চারা বিতরণ করা হয়।
চারা বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অফিসের উপ–সহকারী সুব্রত চৌধুরী, সুকুমার তালুকদার, জাফর আহমেদ, চিরজ্যোতি চাকমা, প্রজ্ঞাজ্যোতি চাকমা অনুপ দত্ত, এ এস পি পি ও শিমুল চাকমা ও বাবুল কান্তি তালুকদার।






