অনলাইন ডেস্কঃ
বয়সের সীমা না রেখে ধারাবাহিক কমিটি গঠনের দাবি না মানলে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ছাত্রদলের বিলুপ্ত কমিটির নেতারা।

শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নেতারা এ ঘোষণা দেন।
সংগঠনের সাবেক সহসভাপতি ইখতিয়ার রহমান কবির বলেন, নুতন নেতৃত্ব নির্বাচন ২০০০ সাল এসএসসি পাশ ছাত্র নেতাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ করায় ছাত্রদল হতাশ ও ক্ষুব্ধ। ঈদের দুইদিন আগে ছাত্রদলের কমিটি ভেঙে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে তার সঙ্গে তারেক রহমান মোটেই সম্পৃক্ত নন। তিনি জানান, দাবি আদায় না হাওয়া পর্যন্ত তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলবে।
২০০০ সালের ‘বয়সসীমা’ সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত’ অভিযোগ করে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, এর ফলে ছাত্রদলের সাবেক কমিটির সকল সহ সভাপতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সহ-সাধারণ সম্পাদক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদস্যরা বাদ পড়েছেন। ঢাকার সুপার ইউনিটের ২৪ জন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে ২১ জনও বাদ পড়েছেন। এই সমস্যা সমাধানে আরোপিত ২০০০ সালের বসয়সীমা তুলে দিয়ে ৬ মাসের একটি স্বল্পকালীন কমিটি গঠন করতে হবে।
সিন্ডিকেটে কারা আছে প্রশ্ন করা হলে সাবেক কমিটির সহ সভাপতি এজমল হোসেন পাইলট বলেন, রাজনীতিতে অনেক কথা বলা যায় না। এটা আপনাদের বুঝে নিতে হবে।
সাবেক কমিটির সহসভাপতি জহির উদ্দিন তুহিন বলেন, সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের কারণে বাদ পড়েছে সর্বোচ্চ ৩৮ বছরের নেতারা। এটাকে এখন ৪৭/৪৮ বছরের ‘বুড়ো’ নেতাদের আন্দোলন বলে চালানো হচ্ছে– এটা ঠিক না।
তিনি বলেন, ‘এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে সরকারের একটা এজেন্ট জড়িত। তারা ছাত্রদলকে ধ্বংস করতে চায়। কিন্তু শেষ জায়গা হচ্ছে তারেক রহমান। তার উদ্যোগ নেওয়া ছাড়া অন্য কোনো পথ দেখছি না।’
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদলের ভেঙে দেওয়া কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, বায়জিদ আরেফিন, ওমর ফারুক মুন্না প্রমুখ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্রঃ সমকাল





