চকরিয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের মাতারবাড়ী পাড়া গ্রামের সাবেক মেম্বার মৃত আবু ছৈয়দের ছেলে রফিক উদ্দিন (৪৫) ১৮ আগষ্ট বৃহস্পতিবার ৩নং বড় মাছ নামক চিংড়ি ঘেরে রহস্যজনক ভাবে মৃত্যুর হওয়ার ঘটনার জের ধরে জড়িত থাকার সন্দেহে আবদুল আজিজ ও আজবর বেগম নামে এক মহিলাসহ দুই জনকে আটক করে বদরখালী নৌ-পুলিশে সোর্পদ করেছেন নিহতের পরিবার ও স্থানীয় জনতা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ সময় শত শত উত্তেজিত জনতা বদরখালী বাজারে মিছিল সহকারে দোষীদের শাস্তির দাবিতে স্থানীয় চেয়ারম্যান খাইরুল্লাহ বশরের ব্যবসায়িক কার্য়ালয় সিন্ডিকেট অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বদরখালী নৌ-পুলিশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে। এসময় উত্তেজিত জনতার ইটপাটকেল নিক্ষেপে গুরুত্বর আহত হন বদরখালী নৌ- পুলিশের আইসি এস,আই ইসমাইল, এস আই জয়নাল, কনস্টেবল আবদুল মতিন ও মিরাজ। এ সময় পথচারী লোকজন এবং ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে দিকবিদিক ছুটে নিরাপদ স্থানে চলে যান।
পরে খবর পেয়ে চকরিয়া থানার ওসি জহিরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাত ৭ টার সময় বদরখালী বাজারে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান খাইরুল্লাহ বশরের সাথে ব্যবসায়িক লেনদেন থাকায় তিনি এ হত্যাকান্ডের মত ঘটনা ঘটাতে পারে বলে নিহতের পারিবারিক সূত্রে দাবি উঠেছে। এর জের ধরে খাইরুল্লাহ বশরের ব্যবসায়িক কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়েছে বলে সচেতন লোকজনের অভিমত।
এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া চকরিয়া থানার ওসি জহিরুল ইসলাম খান আমাদের রামু কে বলেন, বদরখালীর ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক দোষীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।






