স্টাফ রিপোর্টার :
দলীয় গঠনতন্ত্র না মেনে হঠাৎ অন্যায়ভাবে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কমিটি অনুমোদন নিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের মাঝে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে বিরাজ করছে চাপা ক্ষোভ।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক তছলিম ইকবাল চৌধুরী বলেন, ১১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিবসহ আট জন সদস্যকে না জানিয়ে গোপনে উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ক্যউচিং চাক গঠনতন্ত্র না মেনে বৃহস্পতিবার জাহাঙ্গীর আলম বাহাদুরকে সভাপতি ও মংথোয়াই হ্লা মার্মাকে সাধারণ সম্পাদক করে ৬৫ বিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন দেন। যা শুনে আমরা হতবাক হয়েছি। শুধুমাত্র আহবায়কই কিভাবে কমিটি অনুমোদন দিতে পারেন তা আমাদের বোধগম্য নয়।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য সচিব মোহাম্মদ ইমরান বলেন , মংথোয়াই হ্লা মার্মার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ বাইশারীতে মন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা স্লোগানের বদলে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ এবং পরে জুতা পায়ে শহীদ মিনারে উঠে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন মংথোয়াই হ্লা। যা গণমাধ্যমে প্রকাশিতও হয়েছে। এই ধরনের লোককে সাধারণ সম্পাদক করার প্রশ্নই আসে না।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলম বলেন, গোপনে কমিটি অনুমোদন রহস্যের জন্ম দিয়েছে। নতুন কমিটির বিষয়ে আমরা কেউ অবগত নয়। এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামীলীগের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও সোনাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহাইন মার্মা বলেন, বাইশারীর কমিটি অনুমোদনের বিষয়ে আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। যা সম্পূর্ণ অন্যায় ও নীতি বিরোধী। যা দলের জন্য অশুভ লক্ষণ। একই কথা জানালেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ক্রালঅং মারমা, জহুরা বেগম, আবুল হোসেন ও খালেদ সরওয়ার হারেজ।
এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক ক্যউচিং চাকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
তবে জানতে চাইলে বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইসলাম বেবী বলেন, বিষয়টি আমরা শুনেছি। এ ব্যাপারে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে বাইশারী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের তৃণমূল নেতারা জানালেন, তাঁরা সম্মেলনের মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ কমিটি চান।






