হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী :
মানবতাবিরোধী অভিযোগে জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীকে ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদে ডাকা জামায়াত ইসলামীর সকাল-সন্ধ্যা হরতাল কক্সবাজারে পালিত হয়নি। হরতাল ডেকে মাঠে দেখা যায়নি তাদেরকে। আর জেলার সর্বস্তরের মানুষ এতে সাঁড়া না দিয়ে যুদ্ধাপরাধী মীর কাশেম আলীর বিরুদ্ধে ঘৃণার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে।
বুধবার ৩১ আগস্ট জামায়াতের ডাকা এই হরতালে কক্সবাজারে স্বাভাবিক পরিবেশ বিরাজ করেছে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মার্কেট, সরকারি ও বেসরকারি সকল অফিস খোলা ছিল। পরিবহন সেক্টরেও ছিল স্বাভাবিক পরিস্থিতি।
কক্সবাজার বাস টার্মিনাল থেকে দূর-দূরান্তে সব ধরণের বাস ছেড়ে যেতে দেখা গেছে। হরতালের নিরাপত্তায় জেলার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে মোতায়েন করা অতিরিক্ত পুলিশ স্বাভাবিকভাবে তাঁদের দায়িত্ব পালন করেছে।
জেলা শহরের বাইরে চকরিয়া, পেকুয়া, রামু, নাইক্ষ্যংছড়ি, উখিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী ও কুতুবদিয়াতেও বিরাজ করেছে একই অবস্থা। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। সব ছিল স্বাভাবিক।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার নাথ আমাদের রামু কে জানান, জেলায় হরতালের কোন প্রভাব দেখা যায়নি। তবুও সকাল থেকেই সতর্ক অবস্থানে ছিল পুলিশ। যে কোনো নাশকতা ঠেকাতে প্রতিটি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পুলিশ, আর্মড পুলিশসহ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছিল।







