চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ভূ-রাজনীতিতে বাংলাদেশকে পাশে পাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।খবর বিডিনিউজের।
ঢাকা সফররত চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বৈঠকের পর সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, “চীনের মাননীয় প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ সব সময় আশা করে, চীন তাদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সব সময় সহযোগিতা করবে ও পাশে থাকবে।
“একই সঙ্গে চীনও আশা করে, চীনের যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং ভূ-রাজনৈতিক ক্ষেত্রে চীন যে ভূমিকা পালন করছে, বিশেষ করে উন্নয়ন ক্ষেত্রে, তাতে বাংলাদেশ জোরালো সমর্থন যোগাবে।”
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে প্রেসিডেন্ট শি’র দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আড়াই ঘণ্টা পর বিকাল ৫টা ২৫ মিনিটে লো মেরিডিয়ান হোটেলে গিয়ে চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন খালেদা জিয়া।
সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ৪০ মিনিট স্থায়ী এই বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানান মির্জা ফখরুল।
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কথা বৈঠকে উঠে এসেছে বলে জানান তিনি।
“দেশনেত্রী খালেদা জিয়া উল্লেখ করেছেন যে, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে। তারপর থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের অকৃত্রিম সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে। চীন বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অকৃত্রিম বন্ধু।”
বৈঠকে মির্জা ফখরুল ছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মাহবুবুর রহমান, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান সাবিহ উদ্দিন আহমেদ ও চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।
চীনের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আসা কয়েকজন মন্ত্রী ও ঢাকায় চীনের রাষ্ট্রদূত মা মিং কিয়াং বৈঠকে ছিলেন।
এর আগে হোটেল স্যুটে জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
বেলা সাড়ে ১১টায় দুইদিনের সফরে ঢাকায় আসেন শি জিনপিং। গততিনদশকে তিনিইচীনেরপ্রথমপ্রেসিডেন্ট, যিনিবাংলাদেশেআসলেন।
২০১০ সালে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঢাকা সফর করেছিলেন শি জিনপিং।






