রামুতে ‘সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’ স্লোগানে ইয়ুথ পিস অ্যাম্বাসেডর গ্রুপের (ওয়াইপিএজি) ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকালে রামু পাবলিক লাইব্রেরীতে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, পিস ফ্যাসিলিটেটর ‘পিএফজি’ রামু উপজেলার সদস্য সাংবাদিক খালেদ শহীদ। শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ মাইনুল ইসলাম।
সাংবাদিক খালেদ শহীদ বলেন, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডকে সচল রাখতে সুশৃঙ্খল পরিকল্পনা দরকার। নির্ধারিত আলোচনাকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করে, কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারলে ওয়াইপিএজি’র তরুণদের সাফল্য আসবে। কাজের প্রতি দায়িত্বশীল থাকতে হবে এবং জবাবদিহিতা থাকতে হবে। তরুণরাই পারে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে। শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় ‘ওয়াইপিএজি’ সদস্যদের কর্মকান্ডে উৎসাহিত হবে সামাজিক অঙ্গনের সবাই। তরুণরা যদি মানবিকতা, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে বিশ্বাস রাখে, তবে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
ইয়ুথ পিস অ্যাম্বাসেডর গ্রুপ ‘ওয়াইপিএজি’ রামু উপজেলা কো-অর্ডিনেটর রিয়াজ উদ্দিন বাপ্পী’র সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তৃতা করেন, ইয়ুথ পিস অ্যাম্বাসেডর গ্রুপ ‘ওয়াইপিএজি’ রামু উপজেলার জয়েন্ট কো-অর্ডিনেটর তানবির ইসলাম অভি ও সুলতানা রাজিয়া ওহি, ওয়াইপিএজি (YPAG) রামু’র সদস্য মোর্শেদ আলম, নুসরাত খানম লিজা, মো. কায়েস উদ্দিন, এমদাদুল হক, আরিফুল হক মোমেন, নুরুল আলম, আমজাদ হোসেন, জাহেদ হাসান, রমজান আলী, উসমা, জনি, সৈয়দ মোহাম্মদ আকিব প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে রামুতে আশংখাজনক হারে বেড়েছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা, অপমৃত্যুর ঘটনা। আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটছে। কেন এই হত্যাকান্ড সংগঠিত হচ্ছে খতিয়ে দেখতে হবে। মাদকের ভয়াবহতা, পাহাড় কাটার চরম পরিণতি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। সমাজে তরুণদের শান্তির দূত হিসেবে কাজ করতে হবে। সভায় উপস্থিত সদস্যরা বিগত তিন মাসের কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণ করেন। সভা শেষে সকল সদস্য ‘শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ’ গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। সভাটি শান্তিপূর্ণ ও ফলপ্রসূ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। অংশগ্রহণকারীরা ভবিষ্যতে আরও কার্যকরভাবে সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।






