খালেদ হোসেন টাপু:
কক্সবাজারে রামু উপজেলা প্রশাসনের উদোগে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে জাতীয় গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে।
দিবস পালন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও রামুর কেন্দ্রীয় শহীদ বেদীতে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। শনিবার ২৫ মার্চ উপজেলা মিলনায়তনে আলোচনায় সভায় প্রধান অতিথি রামু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে, বিশেষ করে ২৫ মার্চ কালো রাতে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, রামুতে কোন জঙ্গিবাদের স্থান হবেনা।
তিনি আরো বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালো রাতে পাকিস্তানি বাহিনী পূর্বপরিকল্পিত অপারেশন সার্চলাইটের নীলনকশা অনুযায়ী নিরস্ত্র বাঙালি ছাত্র, যুবকসহ আবালবৃদ্ধবনিতার ওপর হামলা ও নৃশংস গণহত্যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সংঘটিত অন্য যেকোনো গণহত্যার চেয়ে ভয়াবহ।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান শেখ হাসিনা সরকার গণহত্যা দিবসটি জাতীয় ভাবে পালনে স্বীকৃতি দেওয়ায় দেশ ও জাতির ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং দিবসটি আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃতি পেতে কাজ শুরু করেছে সরকার ।
তিনি স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৬ বছর পর ২৫ মার্চ এর ভয়াল কালরাত্রিকে গণহত্যা দিবস জাতীয়ভাবে পালনে ঘোষণা করায় জাতি আজ গর্বিত। তিনি এ ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহন করায় প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শাহজাহান আলির সভাপতিত্বে দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ভাইস চেয়ারম্যান আলী হোসেন কোম্পানী, উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি মোঃ নিকারুজ্জামান, ফতেখাঁরকুল চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম, রাজারকুল চেয়ারম্যান মুফিজুর রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনধি, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষিকা, ক্রীড়া, সাংস্কৃতি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।






