হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী :
একটি ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি, রামুর গর্জনিয়া ও কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের মানুষ চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হয়ে আসছে। প্রতি বছর সামান্য অগ্নিকান্ডের শিকার হয়ে সর্বস্ব হারিয়ে নাইক্ষ্যংছড়িবাসীর পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী গর্জনিয়া বাজারের ব্যবসায়ীদেরকে চরম মূল্য দিতে হচ্ছে। আর এ কারণেই এ অঞ্চলে ফায়ার সার্ভিসের গুরত্ব অপরিসীম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অবশেষে বর্তমান সরকারের ধারাবাহিক উন্নয়নের অংশ হিসাবে নাইক্ষ্যংছড়ি সদরে নির্মিত হচ্ছে স্বপ্নের ফায়ার সার্ভিস স্টেশন। এছাড়াও শিক্ষার মান বাড়াতে “১০০টি উপজেলায় ১টি করে টেকনিক্যাল স্কুল স্থাপন’’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নাইক্ষ্যংছড়িতে ৫ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে একটি অত্যাধুনিক টেকনিক্যাল স্কুল নির্মাণ কাজও অনেকদূর এগিয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু সাফায়াৎ মুহম্মদ শাহেদুল ইসলাম আমাদের রামু কে বলেন,স্বাধীনতার সুদীর্ঘ ৪৫ বছর পর অবশেষে দুর্গম নাইক্ষ্যংছড়ির খাস জমিতে একটি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন স্থাপিত হচ্ছে। গত বুধবার প্রকল্প পরিচালক মহোদয়কে বিস্তারিত জানানোর পর বৃহস্পতিবার ত্রিশ লাখ টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া সদরের বিছামারা গ্রামে ১ একর ৫০ শতক খাস জমিতে অত্যাধুনিক টেকনিক্যাল স্কুল নির্মাণ কাজের জন্য প্রস্তাবিত ভূমি সরেজমিনে পরিমাপ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। শীঘ্রই নির্মাণ কাজ আরম্ভ হবে। তিনি বলেন, খাস জমি খুঁজে পাওয়ায় টেকনিক্যাল স্কুল নির্মাণের ক্ষেত্রে সরকারের প্রায় ৬৬ লাখ টাকা বেচে যাবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরও বলেন, এই প্রকল্পের আওতায় বান্দরবান পার্বত্য জেলার একমাত্র নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলাকে নির্বাচিত করা হয়েছে। এই টেকনিক্যাল স্কুলটি স্থাপিত হলে নাইক্ষ্যংছড়িসহ টেকনাফ, উখিয়া, রামু, লামা, আলীকদম উপজেলার অসংখ্য শিক্ষার্থী কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ লাভ করবে।






