নিজস্ব প্রতিনিধি:
ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারকৃত রামু বৌদ্ধবিহার ও বৌদ্ধপল্লীতে হামলা মামলার অন্যতম আসামী বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদের বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান আলোচিত তোফাইল আহামদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
রোববার ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে বান্দরবার ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ লিয়াকত বাদী হয়ে বান্দরবান সদর থানায় এই মামলাটি রুজু করেন।
এর আগে দুপুরে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপির সাথে তাঁর বাসায় দেখা করে ফেরার পথে শহরের রাজারমাঠ এলাকা থেকে ডিবি পুলিশের সদস্যরা তোফাইল আহামদকে আটক করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাতেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়।
তোফাইলের সহযোগী হিসাবে পার্বত্য গণপরিষদের জেলা শাখার সভাপতি আতিকুর রহমানকে আটক করেছে পুলিশ। তাকেও নাশকতা মামলায় আসামী করা হয়েছে।
এদিকে সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর বিকালে আলোচিত তোফাইল আহামদ এবং আতিকুর রহমানকে জেলা সদরের সিনিয়র বিচারিক হাকিম তাহমিনা আফরোজের আদালতে হাজির করা হয়। এসময় পুলিশ ৭দিনের রিমান্ড আবেদন করলে মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য্য করে তাদেরকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।
বান্দরবানের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় আমাদের রামু কে জানান, তোফাইল আহামদ বান্দরবানে এসে নাশকতার পরিকল্পনা করছিল। পুলিশ খবর পেয়ে তাকে ও তার সহযোগিকে বেশ কিছু সরাঞ্জামসহ গ্রেপ্তার করে।
তবে তোফাইল আহামদের পরিবারের অভিযোগ, তার বিরুদ্ধে দায়ের করা সবকটি মামলায় তিনি জামিনে রয়েছেন। এছাড়া তাকে হয়রানি বা গ্রেপ্তার না করার জন্য উচ্চ আদালতের নির্দেশনা রয়েছে। এর পরও বার বার হয়রানি করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, কক্সবাজারের রামু বৌদ্ধ বিহারের হামলা মামলার অন্যতম আসামি হওয়ায় চেয়ারম্যান তোফাইল আহামদকে গত ১১ জানুয়ারি ঢাকার সুন্দরবন হোটেলের ৩১৮ নম্বর কক্ষ থেকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) একটি দল গ্রেপ্তার করেছিল। চলতি মাসে তিনি হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন।






