রুকেন বড়ুয়া, বান্দরবান :
বান্দরবানে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ে বাদ পড়েছে কমান্ডার জলিল সহ ৫২জন। ১৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বান্দরবান জেলা প্রশাসন থেকে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
সুনির্দিষ্ট প্রমাণ, সাক্ষ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্রাদি উপস্থাপন করতে না পারায় মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন তারা।
বাদ পড়া মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে রয়েছে, বান্দরবান সদরের ২৫জন, নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে ১৪জন, রোয়াংছড়ি থেকে ৮জন, আলীকদম থেকে ৫জন মিলে সর্বমোট ৫২জন।
তবে নতুন আবেদন বাছাইয়ে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়েছে ১জন। তিনি হলেন বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাহবুবুর রহমান।
নতুন আবেদনে পৌর মেয়র মো. ইসলাম বেবীর কাগজ-পত্রাদির সাথে স্বপক্ষে কোন প্রমান না থাকায় উক্ত আবেদন বাদ দেওয়া হয়েছে।
তাছাড়া ৫২জন ছাড়াও আরো ৭জনকে অপেক্ষামান তালিকায় রাখা হয়েছে। তাদের দেওয়া কাগজপত্রের মধ্যে কিছুটা গরমিল থাকায় তাদেরকে অপেক্ষমান তালিকায় রাখা হয়েছে।
এদিকে বাদ পড়া মুক্তিযোদ্ধা সন্তান জাফর আলম অভিযোগ করে বলেন, মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটি সঠিক হয়নি। প্রকৃত স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের কমিটিতে রাখা হয়নি। এ কমিটির প্রকাশিত রায় আমরা মানিনা। এর বিরুদ্ধে আমরা আদালতে আপিল করবো।
এ বিষয়ে বান্দরবান জেলার জেলা কমান্ডার আবুল কাশেম বীর প্রতীক আমাদের রামু কে জানান, দেশব্যাপী অবৈধ কিছু মানুষ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নিজেদের দাবি করলে সরকার যাচাই বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। সে মোতাবেক যাচাই-বাছাই কমিটি কাগজ পত্রাদি যাচাই বাছাই পূর্বক তালিকা প্রকাশ করেছে। যাদের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি তাদেরকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। যাদের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে তাদেরকে তালিকায় রাখা হয়েছে।






