মোঃ ইউছুপ মজুমদার:
বান্দরবানের লামা উপজেলার পার্শ্ববর্তী বমুবিলছড়ি ইউনিয়নে সরকারী রিজার্ভের জায়গায় লামা বনবিভাগের সৃজিত সামাজিক বনায়নের গাছের চারা ও পাহাড় কেটে জমি সৃজনের অভিযোগ দিয়েছে স্থানীয় উপকারভোগীরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, লামা বনবিভাগ বমুবিটের আওতায় বলুবিলছড়ি ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের পূর্ব অংশ ফকির ঝিরি এলাকার এসআর প্রকল্পের মাধ্যমে ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে চুক্তির মাধ্যমে ১৭৫জন উপকারভোগীকে প্রতিজনকে ১ (এক) একর করে সামাজিক বনায়নের জন্য ১৭৫একর জায়গা দেওয়া হয়। চুক্তিতে প্রাপ্ত জায়গায় নুর মোহাম্মদ ও মোঃ রফিক তাদের নেওয়া জমিতে বাগান সৃজন করে। এই সৃজিত বাগান ও পাহাড় কেটে জমি আবাদ করছে তাদের পার্শ্ববর্তী বাসিন্দা শামসুল আলমের ছেলে মিজানুর রহমান ও মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে এমরান হোসেন গং। তারা গত ঈদুল আযহার সময় প্রায় ৪০০(চারশত)টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা কেটে ফেলেছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সামাজিক বনায়নের পার্শ্ববর্তী জমি আবাদ করতে গিয়ে মিজানুর রহমান ও এমরান হোসেন গংরা প্রায় ০.৬০ (ষাট) শতক ঢালু পাহাড় কেটে আবাদ করেছেন। এতে কিছু সংখ্যক গাছের চারাও তারা কেটে ফেলেছেন। ক্ষতিগ্রস্থ নুর মোহাম্মদ ও রফিক জানান, আমাদের সৃজিত বাগানের বেলজিয়াম, জাম, অর্জূন সহ প্রায় ৪০০টি চারা গাছ মিজানুর রহমান ও এমরান হোসেন গংরা কেটে ফেলেছেন এবং জমি আবাদ করতে গিয়ে তারা পাহাড় কাটা অব্যাহত রেখেছে। এবিষয়ে বমু বনবিট কর্মকর্তাকে অবহিত করেও কোন লাভ হয়নি।
এই বিষয়ে অভিযুক্ত মিজানুর রহমান জানান, স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে সরেজমিনে গিয়ে সমস্যাটি সমাধান করা হয়েছে। স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা মনছুর উদ্দীন জানান, অভিযোগটি সরেজমিনে গিয়ে দেখে সত্যতা পেয়েছি তবে এখনো কোন সমাধান দেওয়া সম্ভব হয়নি।
লামা বনবিভাগের বমুবিট কর্মকর্তা মোঃ ছৈয়দ আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা সেখানে বনরক্ষা কমিটি করে দিয়েছি। কোন সমস্যা হলে তারাই সমাধান দিবে।







