নিজস্ব প্রতিনিধি :
বান্দরবানের লামা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা-২০১৭ এ সর্বোচ্ছ জিপিএ ৫ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। জেলার ৭টি উপজেলায় মোট ৮ হাজার ৮৩১জন পরীক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৮ হাজার ৪৬৮ জন। জেলায় পাশের হার ৯৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ।
জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা ৬৫৭জন তার মধ্যে লামা উপজেলায় ৩৩২জন যা জেলার মোট জিপিএ ৫ প্রাপ্তদের অর্ধেকেরও বেশী। বান্দরবান সদর উপজেলায় ১ হাজার ৯৪৮ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ১ হাজার ৯১৫জন। পাশের হার ৯৮ দশমিক ৩০ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১শ ৮১জন। রুমা উপজেলায় ৪শ ১২জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৩ শ ৩২জন। পাশের হার ৮০ দশমিক ৫৮ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২জন। রোয়াংছড়ি উপজেলায় ৫শ ৬২ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৫শ ৪৪জন। পাশের হার ৯৬ দশমিক ৮০ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২জন। থানছি উপজেলায় ৩ শ ৮৮জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৩ শ ৭১জন। পাশের হার ৯৫ দশমিক ৬১ শতাংশ। লামা উপজেলায় ২ হাজার ৮৪৬জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ২ হাজার ৭৫৬জন। পাশের হার ৯৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৩২জন। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় ১ হাজার ৫৮৭জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ১শ ৫৫৬ জন। পাশের হার ৯৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৮৯জন। আলীকদম উপজেলায় ১ হাজার ৮৮জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৯ শ ৯৪জন। পাশের হার ৯১ দশমিক ৩৬ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৫১জন।
অপরদিকে ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারী জেলায় ৫শ ৩২জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৪শ ৯৫জন। পাশের হার ৯৩ দশমিক ০৫ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৩জন। এরমধ্যে বান্দরবান সদর উপজেলা ৬৪জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৬৪জনই পাশ করে শতভাগ সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬জন। লামা উপজেলায় ১৯২জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৭৮জন পাশ করেছে। পাশের হার ৯২ দশমিক ৭০ শতাংশ। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় ২শ ২২ শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাশ করেছে ২ শ ৬জন। পাশের হার ৯২ দশমিক ৭৯ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৭জন। আলীকদম উপজেলায় ৫৪জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৪৭জন। পাশের হার ৮৭ দশমিক ০৩ শতাংশ।
লামা উপজেলার ঈর্ষনীয় এ সাফল্যের পিছনে রয়েছে উপজেলা শিক্ষা অফিসের নিয়মিত তদারকি এবং শিক্ষক ও অভিভাবকদের কঠোর পরিশ্রম। উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা, আশিষ কুমার মহাজন বলেন, এবারের পিইসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তদের দিকে লামা উপজেলা জেলার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে। আগামীতে আরো ভালো ফলাফল করার জন্য আমাদের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।






