অনলাইন ডেস্কঃ
‘হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট বিল’ ও ‘জাতীয় প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি বিল দুটি পাস করেছে সংসদ।

ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে সংসদের ২২তম অধিবেশনের সোমবারের বৈঠকে সংসদীয় কমিটির স্থিরকৃত আকারে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট বিল ২০১৮ ও ‘জাতীয় প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি বিল পাস হয়। এরআগের বিলের ওপর আনীত সংশোধনী, জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাব কন্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।
হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট বিল পাস করার প্রস্তাব করেন ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। বিলে দেবোত্তর সম্পত্তি উদ্ধার ও সংরক্ষণসহ হিন্দু ধর্মীয় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, ধর্মীয় শাস্ত্র ও সংস্কৃতির প্রচার ও প্রসার, তীর্থস্থান ভ্রমণে সহায়তার বিধান রাখা হয়েছে।
বিলে বলা হয়, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালনার জন্য একটি ট্রাস্ট্র বোর্ড থাকবে। সরকার মনোনিত ২১সদস্যদের নিয়ে এই ট্রাস্টি বোর্ড গঠিত হবে। ধর্মমন্ত্রী ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ও সরকার মনোনীত একজন ট্রাষ্টি ভাইস চেয়ারম্যান ও ধর্ম সচিব ট্রাস্টের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়, ২০১১ সালে আদালতের নিদের্শে ‘দ্যা হিন্দু রিলিজিয়ার্স ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৩’ আইনটি রহিত হয়ে যায়। ফলে ২০১৩ সালের জারিকৃত ৭ নং আইন দ্বারা উক্ত আইন কার্যকর রাখা হয়। বিদ্যমান আইনটি সংশোধিত পরিমার্জিত আকারে বাংলা ভাষায় হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট বিল ২০১৮ আনা হয়েছে। বিলের সাথে আর্থিক ব্যয়ের বিষয় জড়িত থাকায় বিধি মোতাবেক রাষ্ট্রপতির সুপারিশ পাওয়া গেছে।






