সোয়েব সাঈদ:
রামুতে ঈদ আনন্দে ভিন্ন মাত্রা এনে দিয়েছিলো রামুর কৃতি ফুটবলারদের অংশগ্রহনে অনুষ্ঠিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। পবিত্র ঈদুল আযহার দিন বিকালে রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এ ফুটবল ম্যাচে অংশ নেন, বিবাহিত একাদশ ও অবিবাহিত একাদশ। এতে ১-১ গোলে খেলা অমিমাংসিত থাকলে টাইবেকারে জয় পায় অবিবাহিত একাদশ। ব্যতিক্রমী এ প্রীতি ফুটবল ম্যাচকে ঘিরে পুরো স্টেডিয়ামে ক্রীড়া পাগল মানুষের উচ্ছ্বাস ছিলো চোখে পড়ার মতো।
খেলার প্রথমার্ধের ৫মিনিটে বিবাহিত একদাশের শিপন এবং ১১ মিনিটে অবিবাহিত একাদশের খেলোয়াড় ইমন ১টি করে গোল করে। দ্বিতীয়ার্ধে কোন দল গোল করতে না পারায় খেলা টাইবেকারে গড়ায়। এতে ৪-৩ গোলে জয় পায় অবিবাহিত একাদশ।
খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় রামুর কৃতি ফুটবলার দিদারুল আলমকে সংবর্ধিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের ২ বার নির্বাচিত সদস্য ও বাফুফে স্কুল ফুটবল টূর্ণামেন্ট ২০১৬ এর চেয়ারম্যান বিজন বড়ুয়া।
ওমর ফারুক মাসুমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সংবর্ধিত অতিথি জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় দিদারুল আলম, রামু সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাবের সভাপতি ছিদ্দিক আহমদ, রামু উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক রেফারী সুবীর বড়ুয়া বুলু, রামু ব্রাদার্স ইউনিয়নের সভাপতি নবু আলম, সাবেক সভাপতি মনজুর এ খোদা নুর উল্লাহ, প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের অন্যতম উদ্যোক্তা ফুটবলার শিপন বড়ুয়া, রামু প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক সোয়েব সাঈদ, ইউপি সদস্য লিটন বড়ুয়া প্রমূখ। অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি ফুটবলার দিদারুল আলমকে সম্মাননা ক্রেষ্ট তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের ২ বার নির্বাচিত সদস্য ও বাফুফে স্কুল ফুটবল টূর্ণামেন্ট ২০১৬ এর চেয়ারম্যান বিজন বড়ুয়া বলেন, এ ধরনের আয়োজনকে ঈদকে যেমন আনন্দময় করেছে তেমনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিও বাড়িয়েছে। তাই এ ধরনের প্রশংসনীয় আয়োজন অব্যাহত রাখতে হবে। এ জন্য আয়োজনকদের সার্বিক সহায়তাও করা হবে।
প্রীতি ফুটবল ম্যাচের অন্যতম আয়োজক শিপন বড়ুয়া জানিয়েছেন, কয়েকবছর ধরে এ আয়োজন চলছে। সাড়াও মিলেছে দর্শকদের। ভবিষ্যতে আরো ব্যাপক আয়োজনে এ ধরনের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
দু’দলে খেলেছেন যারা
বিবাহিত একাদশ-শামীম, রিটু, রুপায়ন, বিপ্লব, সোহেল, শিপন (বড়), ডেবিট, জিটু, জাহেদ, চম্পক, টিটু, রাজু, প্রবাল, শিপন, কাজল, সংগীত, চঞ্চল, মনসুর, বিকাশ ও বিপুল।
অবিবাহিত একাদশ-পিয়াস, আশিক, টিপু, স্বদীপ, সুফল, প্রনয়, মুকুট, ইমন (মিষ্টি), ইমন, কৌশিক, মুন্না, এডিসন, শাওন ও ভিকি। খেলায় রেফারি ছিলেন, সুবীর বড়ুয়া বুলু, সহকারি ছিলেন, দুলাল বড়ুয়া ও কমল বড়ুয়া। ধারাভাষ্য দেন রেফারি ওমর ফারুক মাসুম।






