গিয়াস উদ্দিন ভুলু, টেকনাফ:
দিন পদলের পালা নিয়ে গ্রাহক সেবায় এগিয়ে যাচ্ছে দেশের সেরা বীমা কোম্পানি ফারইষ্ট লাইফ ইনস্যুরেন্স। বছরের পর বছর ধরে এই বীমা কোম্পানি শর্ত অনুযায়ী দিয়ে যাচ্ছে মানুষের সেবা। এই বীমা কোম্পানিতে কাজ করে টেকনাফের অনেক যুবক-যুবতী জীবনের সফলতা অর্জন করে যাচ্ছে। টেকনাফ উপজেলায় অনেক হতদরিদ্র পরিবার সামান্য পলিসির মাধ্যমে পেয়েছে তাদের উন্নয়নের চাবি কাঠি।
২১ সেপ্টেম্বর টেকনাফ ফারইষ্ট ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্সের আওতাধীন মৃত্যুদাবীর চেক হস্থান্তর ও উন্নয়ন মুলক সভা অনুষ্টিত হয়। উক্ত সভায় পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কুলাল পাড়া এলাকার চা-দোকান ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইলিয়াছ বাৎসরিক ১৩ হাজার ৪ শত ৪০ টাকার একটি পলিসি করে। সেই পলিসিটি খোলার মাত্র ২ মাস পর স্ত্রীসহ ২ সন্তান রেখে মৃত্যু বরণ করে। কোম্পানীর শর্ত অনুযায়ী নমিনি স্ত্রী হাজেরা বেগমকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়।
প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সাংবাদিক, কবি , সাহিত্যিক ও চট্টগ্রাম ডিভিশনের প্রধান ইনচার্জ, মাহবুবুল মাওলা রিপন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কক্সবাজার সার্ভিস সেন্টার ইনচার্জ মোহাম্মদ আমিনুল হক, আলো গ্রুপের এমডি, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ এল এল বি, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস- চেয়ারম্যান তাহেরা আক্তার মেলি, টেকনাফ পৌরসভার নব-নির্বাচিত কাউন্সিলর নুরুল বশর নুরশাদ, টেকনাফ সাংবাদিক ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দীন ভুলু, টেকনাফ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আমান উল্লাহ আমান, টেকনাফ সাংবাদিক ইউনিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি জিয়াবুল হক, এম আমান উল্লাহ আমান। বক্তারা বলেন, ফারইষ্ট লাইফ ইনস্যুরেন্সের কর্মকর্তারা যদি এইভাবে শর্ত অনুযায়ী সাধারণ মানুষের গ্রাহক সেবা দিতে থাকলে এই ইনস্যুরেন্স কোম্পানির সফলতা ও অগ্রগতি দিন দিন আরো বৃদ্ধি পাবে। অনুষ্টানে সংগীত পরিবেশন করেন টেকনাফ নাফ নদী শিল্পী গোষ্ঠীর শিল্পীরা। আরো উপস্থিত ছিলেন, টেকনাফ সাংগঠনিক অফিস ইনচার্জ মোহাম্মদ হাসান ও হ্নীলা অফিসের ইনচার্জ রফিক উল্লাহ, টেকনাফ উপজেলার ফারইষ্টের সর্বস্থরের মাঠকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে মরহুম মোহাম্মদ ইলিয়াছের স্ত্রী হাজেরা বেগমকে চেক প্রধান করা হয়। গ্রহণ পরবর্তী অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে নিহতের স্ত্রী বলেন, আজ আমি বড় অসহায়, আমার স্বামী তেমন কিছু রেখে যেতে পারেনি অথচ এই কোম্পানীতে একটি একাউন্ট খোলার কারণে আজ আমি আমার ২সন্তানকে নিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারব, ভিক্ষা করে আর খেতে হবে না। আমার সন্তানদের সু-শিক্ষিত করার জন্য এই টাকা গুলো পরিবারের চাহিদা পুরণ করবে।






