প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু:
আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামী এক গ্রাম পুলিশকে পাকড়াও করে পুলিশে দিয়েছেন সাধারণ জনতা। আটক হওয়া ওই গ্রাম পুলিশ রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ ধেছুয়া পালংস্থ বড়ুয়াপাড়া নিবাসী বাবুল বড়ুয়ার ছেলে সুজন বড়ুয়া। সুজন বড়ুয়া রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ডের চকিদার বলে জানা গেছে।
গত ২৫ জুলাই বিকাল ৩টার দিকে রামু চৌমুহনী স্টেশনে ধাওয়া দিয়ে পাকড়াও করে সাধারণ জনতা তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরের দিন ২৬ জুলাই রামু থানা পুলিশ উক্ত আসামীকে আদালতে প্রেরণ করেন।
সুজন বড়ুয়ার আইনজীবি ২৭ জুলাই আদালতের কাছে তার জামিন প্রার্থনা করলে বিজ্ঞ আদালত তা নামঞ্জুর করে সুজন বড়ুয়া কারাগারে পাঠিয়েছেন।
চকিদার সুজন বড়ুয়া অতিন্দ্র বড়ুয়ার বসতঘর পোড়ানোর মামলার আসামী ছিলেন। মামলার বাদী অতিন্দ্র বড়ুয়া একই গ্রামের মৃত সুবোধন বড়ুয়ার ছেলে।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১টার দিকে সুজন বড়ুয়া এবং মামলার অপর আসামী রূপন বড়ুয়া লেডু পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বাদীর ঘরের ছাউনিতে আগুন লাগিয়ে দেন। এতে বাড়িটি পুড়ে যায় এবং ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। এই ঘটনায় বাদী অতিন্দ্র বড়ুয়া আদালতের শরণাপন্ন হলে আদালত পিবিআই(পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) কক্সবাজারকে মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দেন। পিবিআই গত ৩০ জুন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। প্রতিবেদনে বাদীর অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
পরে বিজ্ঞ আদালত আসামী সুজন বড়ুয়া এবং রূপন বড়ুয়াকে আটকের নির্দেশ দেন। সুজন বড়ুয়া গত ২৬ জুলাই আটক হলেও মামলার অপর আসামী রূপন বড়ুয়া এখনো পলাতক রয়েছেন।






