রুকেন বড়ুয়া:
বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার বেতছড়া আর্মি ক্যাম্পের পাশের সাঙ্গু নদীর চরে মাটিতে চাপা পড়া অবস্থায় গৌতম নন্দীর গলিত লাশ উদ্ধার করছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্থানীয়রা সাঙ্গু নদীর চরে লাশটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করতে যান ঘটনাস্থলে। লাশটি মাটি চাপা পড়া অবস্থায় থাকলেও লাশটি পুরুষ নাকি মহিলার প্রথমে ব্যাপারে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। পরে লাশটি সনাক্ত করেন নিহতের শ্যালক দিগন্ত নন্দী।
পাহাড় ধসের পর নিখোঁজ লাশটি বেতছড়া খালে ভেসে এসে বেতছড়া আর্মি ক্যাম্পের পাশের সাঙ্গু নদীর চরে আটকে থাকে।
গত সোমবার সকালে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার সাঙ্গুনদীতে ভাসমান অবস্থায় থাকা মুন্নি বড়ুয়ার লাশ উদ্ধার করে স্থানীয়রা। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করে। মুন্নির লাশ বান্দরবানের সাঙ্গু নদী দিয়ে ভেসে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর সাঙ্গু নদীতে চলে যায়। পরে স্বজনরা চট্টগ্রামে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাশ সনাক্ত করে বান্দরবানে নিয়ে আসে।
এই ব্যাপারে রোয়াংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওমর আলী আমাদের রামু ডটকমকে বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার করি লাশটি। পরে লাশটি গৌতম নন্দীর বলে সনাক্ত করেন শ্যালক দিগন্ত।
প্রসঙ্গত,গত রোববার সকালে বান্দরবান রুমা সড়কের দলিয়ান পাড়া এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছে সিংমেচিং, কৃষি ব্যাংক রুমা শাখার কর্মকর্তা গৌতম কুমার নন্দীও রুমা ডাকঘরের পোষ্ট মাষ্টার রবিউল।।ঘটনার পর জেলার দমকল বাহিনীর সদস্য, সেনা সদস্য ও রেডক্রিসেন্ট এর সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালালে ঘটনাস্থল থেকে জেলার রুমা উপজেলার পাইন্দু ইউনিয়নের মং শৈপ্রু কারবারির এক মেয়ে সিং মেহ্লা মার্মার লাশ উদ্ধার হয়।






