তৌহিদুল ইসলাম রবিন:
ব্যথিত আমার হৃদয় বখাটেদের উৎপাতে,নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে মা বোন রাস্তাঘাটে।নিরাপত্তা কথাটি আসলেই আমরা সরকার,পুলিশ,প্রশাসনের দিকে আঙুল তুলতে দ্বিধাবোধ করিনা।
অথচ সরকার ইভটিজিং-বখাটেপনার প্রতিরোধে নানামুখী পদক্ষেপ নিচ্ছে তারপরেও সমাজে অনৈতিক ও কুরুচিপূর্ণ সামাজিক ব্যাধি বাড়ছে। একটা সময় পত্রিকা-টিভি চ্যানেল খুললেই এ্যাসিড নিক্ষেপের নির্মম ঘটনা পাওয়া যেত।
এই অভিশাপ থেকে অনেকটাই মুক্তি এবং স্বস্তিতে আছে এখন আমাদের সমাজ। তার কারণ প্রশাসনের পাশাপাশি মনস্তাত্ত্বিক
সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক সহ তৃণমূলে এর প্রতিরোধ এবং প্রতিকারের চেষ্টায় অব্যাহত ছিলো। বর্তমানে ইভটিজিংয়ের বিষাক্ত ছোবলে আক্রান্ত হচ্ছে স্কুল মাদ্রাসার পড়ুয়া ছাত্রীরা।
প্রতিদিন টিভি বা খবরের পাতা খুললেই দেখা যায় কোথাও না কোথাও অসহায় মেয়েরা বখাটেদের উত্ত্যক্ত ও মারাত্মকভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে, প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়াতে প্রকাশ্যে কুপিয়ে মারছে,পাঁচ বছরের শিশুকন্যা ও ধর্ষণ থেকে রেহাই পাচ্ছেনা।
উত্যক্তকারীদের বখাটেপনা ক্রমেই সন্ত্রাসীরূপ ধারণ করছে,সমাজকে অধঃপতনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
বখাটেদের উৎপাত বন্ধে আইন প্রণয়নের সঙ্গে কঠোর আইন প্রয়োগ ও পুলিশী তৎপরতার বিকল্প নেই। সচেতনতামূলক নানা পদক্ষেপের
মাধ্যমেই এমন অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। শিক্ষণীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান প্রচার বাড়াতে হবে।
সমাজ থেকে চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী, মাস্তানী,খুন, ধর্ষণ,এ্যাসিড নিক্ষেপ, শারীরিক নির্যাতন,যৌন হয়রানী সহ সকল বখাটেপনা বন্ধে রাজনৈতিক নেতা,শিক্ষক,সমাজের পাশাপাশি অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পালন করতে হবে।
*********************************************************************************************************
লেখক: লাকসাম,কুমিল্লা।
mti.robin8@gmail.com







